আজকের সেরা সংবাদ

সংলাপ নিয়ে, রুহুল কবির রিজভী অভিব্যাক্তি

বিএনপি’র সিনিয়র যু্গ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

সংলাপের মধ্যে দিয়ে ভালো কিছু আশা করা, ক্ষমতাসীনদের অনড় অবস্থানে ফিকে হতে শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র সিনিয়ার যুগ্ন মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বৃহস্পতিবার রাতের সংলাপ শেষে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার হতাশার কথা বলেছেন তাৎক্ষণিক। পরদিন দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যু্গ্ম মহাসচিব বলেন, ‘সংলাপে সরকারের যে একগুয়ে মনোভাব, তা গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বড় ধরনের অশনিসংকেত।’

‘সংলাপে মানুষের মনে যে আশাবাদ জেগে উঠেছিল, সংলাপ শেষে সেই আশার মুকুল ঝরতে শুরু করেছে।’

বৃহস্পতিবারের সংলাপে বিএনপির ছয় নেতা যোগ দেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে। আর ড. কামাল বিএনপির প্রধান দাবি খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি তোলেননি। আর এ নিয়ে নাখোশ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এই সংলাপে খালেদা জিয়ার মুক্তি, সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, ইভিএম ব্যবহার না করার মতো বিএনপির প্রধান দাবিগুলো ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

তাৎক্ষণিকভাবে ড. কামাল ‘আলোচনা ভালো হয়েছে’ মন্তব্য দিলেও পরে সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, ‘বিশেষ কোনো সমাধান পাননি তারা।’

রিজভী বলেন, ‘সাত দফা দাবির প্রতি সাড়া না দেওয়ার আওয়ামী অনড়তায় সুষ্ঠু নির্বাচনের অগ্রগতি তিমিরাচ্ছন্ন হলো।’

‘যে আশা ফুটে উঠেছিল, ফুলের মুকুল যেমন ঝরে যায় আস্তে আস্তে। সেটা এখন ঝরে যেতে শুরু করেছে।’

সংলাপে রাজনৈতিক মামলার বিষয়টি তুলে ধরার পর অবশ্য প্রধানমন্ত্রী তালিকা চেয়েছেন। তবে রিজভীর অভিযোগ, ‘সংলাপের পরও বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার বন্ধ হয়নি। বৃহস্পতিবার রাতে সংলাপ শেষ হওয়ার পরপরই টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালেহ মোহাম্মদ ইথেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

সরকার অনমনীয় মনোভাব দেখাতে থাকলে আন্দোলন করেই দাবি আদায়ের ‍হুমকি দেন রিজভী।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভুঁইয়া, সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম (টিপু), আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম আজাদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, আবেদ রাজা, সাইফুল ইসলাম পটু প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।