খেলাধুলা

২৬ শটের টাইব্রেকার

চিলি বিশ্বকাপে না থাকায় ছুটিটা নিশ্চিত অসহ্য ঠেকছিল আলেক্সিস সানচেসের। প্রাক-মৌসুম শুরুতেই তাই তাঁর গোলে ফেরা। ক্যালিফোর্নিয়ার রোজবোল স্টেডিয়ামে সেই গোলে যদিও জেতাতে পারেননি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে। সোসোর গোলে এসি মিলান সমতায় ফেরার পর ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নস কাপের প্রথম এই ম্যাচ জিততে ম্যারাথন এক টাইব্রেকারই জিততে হয়েছে রেড ডেভিলদের।

২৬ শটের অবিশ্বাস্য এক টাইব্রেকার হয়েছে সেটি। গোলরক্ষকসহ দুই দলের ১১ জনের মারা শেষে, দ্বিতীয় দফায় মেরেছেন আরো চারজন। তাঁদের মধ্যে থেকেই ফ্রাঙ্ক কেসির চিপটা আকাশে উঠে গেলে ম্যারাথন সেই টাইব্রেকারের সমাপ্তি ম্যানইউর ৯-৮ গোলের জয়ে। পেপে রেইনা টানা তিনটি শট ঠেকিয়ে দুইবার মিলানকে জয়ের সুযোগ করে দিয়েছিলেন, কিন্তু রামায়নোলি ও হোসে মাউরি সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। রামায়নোলি মিস করলেও মাউরিকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ম্যানইউর তরুণ গোলরক্ষক জোয়েল পেরেইরা। পেরেইরা প্রথম পাঁচ শটে নিজেও শট নিয়েছিলেন, কিন্তু রেইনা তাঁকে ফিরিয়েছেন। দুন্নাররুম্মার বদলি নামা রেইনা ঠিকই নিজের সুযোগ কাজে লাগিয়েছিলেন। তাতেই প্রথম পাঁচ শট শেষ হয় ৩-৩ সমতায়। এই টাই ভাঙতেই শেষ পর্যন্ত লেগেছে আরো ১৬ শট। চ্যাম্পিয়নস কাপে পরশু টাইব্রেকারে গড়িয়েছে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ও বেনফিকার ম্যাচও। তাতে পর্তুগিজ ক্লাবটির বীরত্ব, ২-০তে পিছিয়ে পড়েও ম্যাচ নিয়ে গেছে তারা টাইব্রেকারে। সেখানে ৪-৩ গোলে জয়ও তাদের। প্রাক-মৌসুম এই আসরে রীতিমতো উড়ছিল ডর্টমুন্ড। আগের দুই ম্যাচেই তারা হারিয়েছে লিভারপুল ও ম্যানচেস্টার সিটিকে। বেনফিকার কাছেই প্রথম হারল তারা।

জুভেন্টাস চ্যাম্পিয়নস কাপে কাল প্রথম ম্যাচ খেলেছে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো প্রাক-মৌসুম খেলছেন না, বিশ্বকাপের পর ছুটিতে জুভদের আক্রমণভাগের অন্য সব খেলোয়াড়। সেই সুযোগটা দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন এই মৌসুমেই এসকোলি থেকে তুরিনের ক্লাবটিতে যোগ দেওয়া আন্দ্রেয়া ফাভিলি। তাঁর জোড়া গোলেই বায়ার্ন হেরেছে আসরে তাদের দ্বিতীয় ম্যাচটি। প্রথম ম্যাচে প্যারিস সেন্ত জার্মেইকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল নিকো কোবাচের দল। একই দিনে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও ম্যানচেস্টার সিটিকে ২-১ গোলে হারিয়েছে লিভারপুল। লেরয় সানের গোলে পিছিয়ে পড়ে তারা, বদলি নেমে মিনিটের মধ্যে অলরেডদের সমতায় ফিরিয়েছেন মোহামেদ সালাহ, শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোলটি করেছেন সাদিও মানে। গোলডটকম