লাইফস্টাইল

হেঁচকি থামানোর ১১টি উপায়!!

হেঁচকি কোনও রোগ নয়, কিন্তু একটি বিরক্তিকর প্রবণতা। সাধারণত অতিরিক্ত ভরা পেটে হেঁচকি উঠার প্রবণতা দেখা দেয়। এছাড়াও বেশি মদ্যপান করলে, ধূমপান করলে, পেটে ভেতরের তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে হতে পারে হেঁচকি। চলুন ঘরোয়া এবং পরীক্ষিত কিছু উপায়ে ঠেকিয়ে দিই হেঁচকি। রিডার্স ডাইজেস্ট অবলম্বনে আরটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য থাকলো এ সংক্রান্ত কিছু উপদেশ।

হেঁচকি থামাবেন যেভাবে

১)  বড় করে একটি শ্বাস নিয়ে যতক্ষণ সম্ভব শ্বাসটি চেপে ধরে রাখতে হবে। একই সঙ্গে নাক চেপে ধরতে ভুলবেন না।

২) একটি কাগজের ব্যাগে মুখ ঢুকিয়ে শ্বাস নিতে হবে। তবে কাগজের ব্যাগ দিয়ে পুরো মাথা ঢেকে ফেললে চলবে না। ৩) মুখের উপরিভাগ ভালোভাবে মালিশ করতে হবে। এক্ষেত্রে খুব সাবধানে একটি তুলা দিয়ে মাসাজ করতে হবে। সম্ভব হলে গলার পিছনে মালিশ করতে পারেন।

৪) হেঁচকি বন্ধে এক চামচ চিনি খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

৫) কাশি, ঢেকুর বা হাঁচি যে কোন একটি দেওয়া গেলে হেঁচকি ওঠা কমে যাবে। ধারণা করা হয় এতে বুক ও পেটের অংশ ভাগ করার মাঝে যে পর্দা থাকে তা সংকুচিত হয়ে হেঁচকি ওঠা রোধ করতে সাহায্য করে।

৬) কিছু গেলার সময় (বা ঢোক গেলার সময় হতে পারে) নাকে হালকা করে চাপ দিতে হবে।

৭) বুকে মৃদু চাপ দিলে উপকার পাওয়া যাবে। এছাড়া বুকের কাছাকাছি হাঁটু এনে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করলে উপকারও পাওয়া যাবে।

৮) হেঁচকি ওঠা রোধ করতে পাতলা করে কাটা এক টুকরা লেবু জিহ্বার উপর নিয়ে ক্যান্ডির মতো চুষে খেলে কাজে দেবে।

৯) অনেক সময় কোমল পানীয় পান করে ঢেকুর তুললে হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়। তবে, সোডা-পানি পান থেকে বিরত থাকা উচিত। কারণ এতে করে হেঁচকি ওঠার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

১০) জিহ্বাটি প্রসারিত করে মুখ থেকে বের করে কিছুক্ষণ রাখুন। তাহলে হেঁচকি থেমে যেতে পারে।

১১) হেঁচকি উঠলে খেতে পারেন পিনাট বাটার। এছাড়া হট টমেটো সসও খাওয়া যেতে পারে।তারপরেও যদি কোনোভাবেই হেঁচকি ওঠা বন্ধ না হয় এবং দীর্ঘসময় স্থায়ী হয় তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।