লাইফস্টাইল

স্বপ্নে দেখা দেয় এই ভূত! তিন নম্বর প্রশ্ন করলেই অবধারিত মৃত্যু

ভূত ধেড়েই হোক আর বাচ্চাই হোক, তা ভূতই। অর্থাৎ তাকে ভয় না পেয়ে উপায় নেই। বাচ্চা ভূত যে ধেড়ে ভূতের চাইতে কম সমস্যা তৈরি করবে, এমন নয়। বিশেষ করে, যদি প্রতি রাতে ভূত এসে আপনাকে জ্বালাতন করতে থাকে, তা হলে কী করবেন আপনি?

এমনই কিংকর্তব্যবিমূঢ় দাঁড়িয়েছে জনৈক অ্যাডাম এলিসের অবস্থা। তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে অ্যাডাম জানিয়েছেন, এক বাচ্চা ভূত প্রথমে তাঁর স্বপ্নে হানা দিতে শুরু করে। পরে সে বাস্তবেও দৃশ্যমান হয়। ব্যাপারটা তাঁর কাছে আদপেও সুবিধের ঠেকছে না। একদিন ঘুম ভেঙে অ্যাডাম তাঁর বিছানার উল্টো দিকের একটি রকিং চেয়ারে বাচ্চাটিকে বসে থাকতে দেখেন। বাচ্চাটি রোষকষায়িত নয়নে তাঁর দিকে তাকায়। সেই চাহনি অ্যাডামের বুকের রক্ত জল করে দেয়। দুঃস্বপ্ন মনে করে অযাডাম বিষয়টিকে উড়িয়ে দিতে চান। কিন্তু খেলা গড়ায় অন্যদিকে। অ্যাডাম বিছানা ছেড়ে উঠতে পারছিলেন না। কেউ যেন তাঁকে পেরেক দিয়ে বিছানায় সেঁটে দিয়েছে।

অ্যাডাম এলিস, ছবি: টুইটার

কম্পিত গলায় অ্যাডাম জিগ্যেস করেন, সে কে। উত্তর আসে— ‘‘ডিয়ার ডেভিড।’’

ক’দিন ধরে এই একই ‘স্বপ্ন’ চলে। একটি স্বপ্নের মধ্যেই এক কিশোরী দেখা দেয়। মেয়েটি তাঁকে জানায় যে, ডিয়ার ডেভিড-কে সম্বোধন করে দু’টি প্রশ্ন করলে সে জবাব দেয়। কিন্তু সাবধান! তৃতীয় প্রশ্ন করলেই সে প্রশ্নকর্তাকে মেরে ফেলে। এর পরে অ্যাডামের ঘুম ভেঙে যায়। পরের দিন অ্যাডাম নেট ঘেঁটে দেখতে চান ওই শহরের সাম্প্রতিক অপমৃত্যুগুলির বিবরণ। কয়েক দিন এভাবেই কাটে। এর মধ্যেই তাঁর উপরের একটা বড় অ্যাপার্টমেন্ট খালি হওয়ায় অ্যাডাম সেখানে চলে যান। ডিয়ার ডেভিডে-এর ব্যাপারটার সেখানেই ইতি ঘটে।

তাঁর স্মৃতি থেকে ডিয়ার ডেভিড-এর ছবি এঁকে টুইটারে পোস্ট করেছেন অ্যাডাম। এই মুহূর্তে তাঁর পোস্ট ভাইরাল। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে সমারসেট মেডিক্যাল স্লিপ ফর লাইফ সেন্টারের মনোবিদ প্রিয়ঙ্কা যাদবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, স্লিপ প্যারালিসিস হলে এমন ইলিউশন ঘটতে পারে। টুইটারের বন্ধুরা অ্যাডামকে চিকিৎসার পরামর্শ দিচ্ছেন।