বিনোদন

যে কারনে রানির দরজা বন্ধ অভিষেকের জীবনে !

এফপি

ডেস্কনিউজ; শেষবারের মত তাদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল ‘বান্টি অউর বাবলি’-তে। ‘বান্টি অউর বাবলি’ বলিউডে দমদার ব্যবসা করার পর অভিষেক বচ্চন এবং রানি মুখোপাধ্যায়কে এরপর কখনও আর একসঙ্গে দেখা যায়নি।

বলিউডে একাধিক সিনেমার সিক্যুয়েল হলেও ‘বান্টি অউর বাবলি’-র মত ব্লক বাস্টার সিনেমার পার্ট টু কেন হবে না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

শোনা যায়, ‘বান্টি অউর বাবলি’-র সময় থেকেই নাকি রানির সঙ্গে অভিষেকের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। বি টাউনের একাংশের মতে, ওই সময় নাকি রানির সঙ্গে বন্ধুত্বের চেয়ে কয়েক ধাপ বেশি মাত্রার সম্পর্ক গড়ে ওঠে অভিষেকের। মাঝে মধ্যেই তাদের একসঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও দেখা যেত বলে শোনা যায়।

কিন্তু, কোনও কারণে সেই সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। সেই সঙ্গে ‘চলতে চলতে’-র সময় থেকেই ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে রানির অশান্তি শুরু হওয়ায়, বচ্চনরা রানিকে দূরেই ঠেলে দেন। এমনকী, অভিষেক, ঐশ্বরিয়ার বিয়েতেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি রানিকে। ফলে অভিষেক, ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে রানির সম্পর্ক একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকে।

ফলে ‘বান্টি অউর বাবলি’-র সিক্যুয়েল তৈরি হলে সেখানে অভিষেক বচ্চনকে আর রাখা হবে কী না, সে বিষয়ে যথেষ্ঠ সন্দিহান জুনিয়র বচ্চন। তিনি বলেন, কোনও সিনেমার প্রজেক্টের জন্য তাকে বেছে নেওয়া হলে, আদিত্য চোপড়া নিজে তাকে ফোন করে সেই কথা জানান।

কিন্তু, ‘বান্টি অউর বাবলি’ পার্ট টু-এর জন্য আদিত্যর কাছ থেকে তিনি এখনও কোনও ডাক পাননি বলেই জানান অভিষেক।

অন্যদিকে রানি মুখোপাধ্যায়কে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, অভিষেক কেন বিয়েতে তাকে আমন্ত্রণ করেননি, সেটা জুনিয়র বচ্চনই ভাল বলতে পারবেন। এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করে কোনও লাভ নেই।

তবে পুরনো সম্পর্ক কিংবা পুরনো তেতো বন্ধুত্বের জাল কেটে তিনি বেরিয়ে পড়েছেন। তাই নতুন করে বন্ধুত্ব তৈরি করে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতেও তার কোনও আপত্তি নেই বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন চোপড়া ম্যানশনের বউমা।

শোনা যায়, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সঙ্গে এক সময় রানির ভাল সম্পর্ক ছিল। দু’জনকে বলিউডের ‘বেস্ট ফ্রেন্ড’ বলা হত। কিন্তু, ‘চলতে চলতে’-র সময় ঐশ্বরিয়াকে বাদ দিয়ে শাহরুখের বিপরীতে কাস্ট করানো হয় রানিকে। এরপর থেকেই নাকি রানির সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, ওই ঘটনার পর থেকে শাহরুখের সঙ্গেও রাই-এর সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে বলে জানা যায়।