বিনোদন

যে কারনে খানদের প্রভাব বলিউডে সবচেয়ে বেশি !

এফপি

ডেস্কনিউজ; একটা জরিপে দেখা গেছে, গত দুই দশকে বলিউডে নির্মিত বাণিজ্যিকভাবে সফল ছবির অর্ধেকই এই তিন খান সাহেবের অভিনীত ছবি থেকে এসেছে। আর চলতি দশকের হিসাবে আরো বেশি। প্রায় ৬৫ শতাংশ। এ থেকেই বোঝা যায় পুরো বলিউডে কেমন আধিপত্য বিস্তার করে আছেন এই তিন খান। খানদের সাফল্যের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল আমিরকে। এক ফিল্ম জার্নালিস্ট তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘আর কত দিন খানদের এমন জয়জয়কার চলবে?’ আমিরের উত্তর ছিল, ‘কমপক্ষে আরো দশ বছর।’ এবং এও বলেছিলেন, ‘আমরা এই তিন খান দশ বছর পর হয়তো আর নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে পারব না, তবে খানদের যে আধিপত্য এখানে সৃষ্টি হয়েছে সেটা বলিউডে চলতে থাকবে।’ কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বয়সের কারণে খুব স্বাভাবিকভাবেই খানরা নায়ক হিসেবে আর অভিনয় করতে পারবেন না। তবে এর মধ্যেই সবাই বলিউডে ব্যবসায়-বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

শাহরুখ, সালমান ও আমির এদের প্রত্যেকেই চলচ্চিত্র প্রযোজনায় নেমেছেন এবং শুরু থেকেই সফল হয়েছেন। ফলে ব্যবসায়িকভাবে তাদের পাকা আসন বলিউডে থাকছেই। এর বাইরে পরিচালনা, উত্তরাধিকার সৃষ্টি এসব তো রয়েছেই। অবশ্যই পরিচালনা এবং উত্তরাধিকার সৃষ্টির নমুনা আমির খান ইতোমধ্যে দেখিয়ে দিয়েছেন। তারে জামিন পার নির্মাণ করে চমক লাগিয়ে দিয়েছেন বলিউড-বোদ্ধাদের। ভাতিজা ইমরান খানকে সুপারহিট নায়ক হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কৃতিত্বও তার।

অন্য দিকে শাহরুখ ও সালমান উভয়েই প্রযোজনার সাথে যুক্ত হয়েছেন আগেই। তাদের প্রযোজিত ছবি বাণিজ্যিকভাবে সফল হওয়ায় এটাও বোঝা যায় যে, খানদের ব্যবসায়িক বুদ্ধিও নেহাত কম নয়। ফলে বলিউড থেকে খানদের দৌরাত্ম্য সহজে কমার নয়, বরং দিন দিন সেটা বেড়েই চলেছে। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, হাল সময়ে নিজেকে খান-গোত্রের উপযুক্ত হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পেরেছেন নবাবজাদা সাইফ আলী খানও। ফলে ক্রমপ্রসারমান বলিউডে খানদের শক্তি আরো খানিকটা বৃদ্ধি পেল বৈকি!