অন্যরকম

যে কারণে হাতে ঘড়ি পরা চাই

অনেকেই মনে করেন সেলফোন কাছে থাকলেই সময় দেখার কাজ চলে যায়, তাহলে হাত ঘড়ির দরকার কি? প্রয়োজন আছে! কারণ ঘড়ি আপনাকে বানিয়ে দিতে পারে একজন ভিন্ন মানুষ!

অনেকেই মনে করেন সেলফোন কাছে আছে সময় দেখার কাজ চলে যায়, তাহলে হাতে ঘড়ির দরকারটা কি? দরকার আছে , আর দরকার আছে বলেই এই আপডেট যুগেও ঘরির ব্যবহার ও ঘরির বাজার বন্ধ হচ্ছে না। একটি হাতঘড়ি অনেক দিক থেকেই আপনার ব্যক্তিত্ব ও ফ্যাশনে ভূমিকা রাখে। চলুন, জেনে নিই কেন একটি হাতঘড়ি আপনার হাতে রাখা দরকার।

১। সেলফোনে সময় দেখা গেলেও সেটা আপনাকে পাংকচুয়াল থাকতে কিন্তু সাহায্য করে না। বারবার ফোন বের করে সময় দেখার ব্যাপারটা মোটেও স্মার্ট এর কিছু নয়। অন্যদিকে হাতে একটি ঘড়ি সর্বদা আপনাকে সময় বলে দেয়। পকেট থেকে ফোন বের করে সময় দেখতে হয় না সেলফোনের মত। সহজেই সময় জানা যায়। ঘড়ির ব্যবহারে সময়ের সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠে।

২। অনেক স্থানেই ফোন বের করে সময় দেখা এটা বিব্রতকর ও বিরক্তিকর অভ্যাস। যেমন ধরুন ক্লাসে বা কোন ইন্টারভিউয়ের সময়ে আপনি বারবার সেলফোন বের করে সময় দেখছেন, এটি মোটেও ভাল প্রভাব ফেলে না।

৩। ঘড়ি সহজে বন্ধ হয় না, এর কখনো চার্জ শেষ হয়ে যাবার ভয় থাকে না, যে কোন অবস্থায় ঘড়ি আপনার সময় বলে দিবে।

৪। সেলফোনের চাইতে ঘড়ি ব্যবহার সহজ এবং এটি সুলভমূল্য। সল্প মূল্যে আপনি একটি ঘড়ি ক্রয় করতে পারবেন ।

৫।  ঘড়ি মানুষের সচেতনতা সম্পর্কেও অনেক কিছু জানিয়ে দেয়। ঘড়ি একজন ব্যক্তিত্ববান মানুষের পরিচায়ক।

৬।  নিজের জন্য সঠিক ঘড়িটি বেছে নিতে পারলে তা আপনাকে আরও স্টাইলিশ করে তুলবে। ফোন এর চাইতে ঘড়ির মধ্যদিয়ে মানুষ নিজেকে আরও বেশি স্মার্ট করে তুলতে পারে।

৭। ঘড়িতে প্রকাশ পায় আপনার রুচি বোধ। একজন মানুষের রুচি তার পোশাক বা জুতো থেকে বুঝে নেয়া সম্ভব, ঠিক তেমনি ঘড়ি থেকেই অন্যরা বুঝতে পারবে আপনার রুচি সম্পর্কে। চমৎকার একটি ঘড়ি অন্যের চোখে আপনার সম্পর্কে ভাল চিএ তুলে ধরবে।

৮। হাতে ঘড়ি ছাড়া অন্য কোন কিছু থাকলে মানুষ অনেক সময় অনেক কথা বলে ফেলে। কিন্তু একটি ভাল ঘড়ি হাতে থাকলে আর বলার কিছু থাকে না ঘড়ির প্রশংসা ছাড়া ।

৯। হাতে একটি ঘড়ি থাকলে মানুষ আপনাকে পজিটিভ ভাবে নিবে, আর বার বার ফোন বের করে সময় দেখলে মানুষ তা পজিটিভ ভাবে নেয় না ।

সময়ের সাথে চলতে গেলে সময়কে দাম দিতে হয়, আর এই সময়কে বুঝতে হলে একটি ঘড়ির প্রয়োজন। ঘড়ি আপনার স্মার্টনেছ এর অন্যতম উদাহরন ।