বিশেষ প্রতিবেদন

বেশি ক্ষতিকর হতে পারে পিৎজার বাক্স

বাসায় আরাম করে পিৎজা খাওয়ার কথা ভাবার আগে চিন্তা করুন যে বাক্সে পিৎজা ভরা হচ্ছে সেটা কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত!

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে গবেষণার আলোকে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে পিৎজার বাক্সের ক্ষতিকর প্রভাবগুলো নিয়ে এই আয়োজন।

ক্ষতিকর উপাদান: পিৎজার বাক্সে থাকা আঠা, ডাই, বিষাক্ত কালি ও অন্যান্য ‘রিসাইকেলড’ উপাদান পিৎজায় প্রবেশ করার আশঙ্কা প্রকট। আর বাক্সে রেখে পিৎজা গরম করা হলে সেই আশঙ্কা আরও বাড়ে।

রাসায়নিক উপাদান: পিৎজার বাক্সে থাকতে পারে ‘ডাইসোবিউটাল ফ্যালেট (ডিআইবিপি)’ নামক এক ধরনের রাসায়নিক উপাদান। যুক্তরাজ্যের ‘ফুড স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সি’য়ের মতে, “মানুষের প্রজনন ক্ষমতার বিকাশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে এই উপাদান। কারণ ইতোমধ্যেই এই উপাদান অন্ত্রের সমস্যা সৃষ্টি করার জন্য কুখ্যাত।”

ফুড কনট্যাক্ট সাবস্ট্যান্স: যুক্তরাষ্ট্রের ফুড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তথ্য মতে, খাবারের বাক্সে থাকা তিনটি রাসায়নিক উপাদান বাক্সকে তৈলাক্ত ও আর্দ্র হওয়া থেকে রক্ষা করে। তিনটিতেই থাকে ‘পারফ্লুরাআলকাইল’ যা বাক্সে থাকা খাবারের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। এই উপাদান শরীরের প্রবেশ করলে দীর্ঘদিন সেখানে অবস্থান করে এবং ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

গরম থাকাই ঝুঁকি: পিৎজা রাখার প্রতিশ্রুতি রক্ষার করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ত্যাগ স্বীকার করতে স্বাস্থ্যগত দিক থেকে।

এই গবেষণার প্রধান গবেষক ইটালির ‘ইউনিভার্সিটি অফ মিলান’য়ের মোনিকা বোনোনি বলেন, “বাক্সের ভেতরে তাপমাত্রা ৬০ থেকে ৬৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায় যা খাবারকে বেশ কয়েক মিনিট পর্যন্ত গরম রাখে। তবে একারণেই বাক্সে থাকা ক্ষতিকর উপাদান খাবারে প্রবেশ করার আশঙ্কা বাড়ে।”