লাইফস্টাইল

বিয়ে না করে লিভ-ইনে থেকে কি কি করেন কাপলরা

বর্তমান সমাজে লিভ-ইনে থাকাটা তেমন খারাপ চোখে দেখা হয়না। ডেটিং থেকে প্রেম, প্রেম থেকে ঘনিষ্ঠতা- এরকম করে ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে যেতে যখন উভয়েই মনে করেন যে তাদের জীবনসঙ্গী বিশ্বাসযোগ্য, তখনি অনেকে বিয়ে করে নেন আবার অনেকে কিছুদিন লিভ-ইন করে বিয়ে করেনা।

আবার অনেকে বিয়ে করেনিনা শুধুমাত্র লিভ-ইনে থাকেন। লিভ-ইন বলতে বোঝায় বিয়ে না করেই একপ্রকার সংসার করা, যেখানে একসাথে ঘুম থেকে ওঠা, খাওয়া দাওয়া, আদর,অন্তরঙ্গতা সবই হয়।

লিভ-ইনে ঠিক কি কি হয় তারই উদাহপরণ নিচে দেওয়া হলো:

১. স্নান করা: একসাথেই যখন সবকিছু, তখন একসাথে স্নান করতে ক্ষতি কি? একে-অপরকে জড়িয়ে ধ্যরে স্নানের মজাই আলাদা। তাই না? অনুভূতিটাই একদম অন্যরকম।

২. আদরের প্রলোভন: নানা কাজের শেষে একঘেয়েমি চলে আসে, তার সাথে অলসতা। আর সেইসময় যদি মেয়েটি তার ব্রাও খুলতে শুরু করে – ব্যাস. এতেই কাজ হবে। অলসতা এবং একঘেয়েমি কাটাতে একটু আদরি যথেষ্ট, তার জন্য প্রলোভন দেখানো টাই হলো একমাত্র চাবিকাঠি।

৩. চুম্বন: পার্কে বসে বা অন্য কোনো খোলামেলা জায়গায় যেরকম চুম্বন কাপলরা করে থাকে, লিভ-ইনে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই তার ঘনিষ্ঠতা আরো বেড়ে যায়। সেখানে কিসিং, স্মুচিং, লিকিং সবই হতে বাধ্য।

৪. মিলন: আদরের প্রলোভন দেখিয়ে আদর শুরু হয়, তারপর চুম্বন -এরকম ধাপে ধাপে ঘনিষ্ঠতা এববং গভীরতা বাড়তে বাড়তে তা চরম পর্যায়ে পৌঁছায়. যাকে বলা হয় মিলন করা, এর মধ্যেই পরে ইন্টারকোর্স। আর লিভ-ইনে থাকার সুবিধে হলো, এখানে আপনি আপনার যেকোনো পছন্দের জায়গায় মিলন করতে পারেন, তা মাটিতেই হোক, বা বিছানায়, সোফায় কিংবা বাথরুমে। এখানে আপনাকে ডিসটার্ব করার কেও থাকেনা।

৫. লিকিং এন্ড সাকিং: চোষাচুষিতে ছেলে-মেয়ে উভয়েই পটু। তবে ছেলেদের ক্ষেত্রে এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে চোষার জিনিস গুলি আলাদা। বুঝতে পারলেন তো?

৬. হালকা আদর: সবসময় যে নগ্ন হয়ে মিলন করতে হবে তার কোনো মানে নেই, টিভি দেখতে দেখতে বা লম্বা কথা বলতে বলতে হালকা আদরের চেয়ে মিষ্টি কিছু হয়না। একে ওপরের চুল নিয়ে খেলা করা, আলতো করে গালে-কপালে কিস করা – এতেই আসে গভীরতা।

৭. পিছন থেকে জড়িয়ে ধরাটাই বেশি পছন্দ মেয়েদের। বিশেষ করে আয়নার সামনে তা আরও বেশি উত্তেজিত করে মেয়েদের। এটাই তো ছেলেদের কামনা।

৮. ছুটি কাটানো: রোজকার একঘেয়েমি কাটিয়ে নিজের সঙ্গীকে নিয়ে বেড়াতে কে না পছন্দ করেন। এতে সমস্ত একগেঝেয়েমি দূর হয়, কাপলের মধ্যে ঝগড়া ঝাটিও কম হয়।

৯. রান্না: একে অপরকে ছোট খাটো সাহায্যের মাধ্যমে রান্না-বান্না করে একসাথে খেতে বসা, খাবার ভাগ করে খাওয়া, অদূরে হাত দিয়ে নিজের সঙ্গীকে একটু খাইয়ে দেওয়া – প্রেম যেন জমে একাকার।

১০. সংসার: এইভাবেই সমস্ত কার্যকলাপের মধ্যে দিয়ে লিভ-ইনে থাকা মানুষজন প্রায় একপ্রকার সংসারই করা শুরু করেন. তবে শুধুমাত্র দুজন। এটাই হলো সাধারণ দাম্পত্য জীবন থেকে লিভ-ইন দেড় পার্থক্য।