লাইফস্টাইল

বন্ধুদের সঙ্গে মদ্যপানকরতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার কিশোরী!

প্রেমিক এবং তার বন্ধুদের হাতেই গণধর্ষণের শিকার এক স্কুল ছাত্রী। মদ খাইয়ে নিজেদের বান্ধবীকে একের পর এক ধর্ষণ করে প্রেমিকসহ তিন বন্ধু। ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র আগের দিনই চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর থানার রথতলা এলাকায়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় দ্বাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীটিকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা প্রথমে স্থানীয় একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায় ও পরে তাকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

পুলিশ সূত্রে খবর, অর্ঘ্য নামে এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল নির্যাতিতার। মঙ্গলবার তার সঙ্গেই ওই ছাত্রী বেরিয়েছিল।

ঘটনার পর উৎপল ও অর্ঘ্য পালিয়ে গেলেও টুয়া নামে এক অভিযুক্তকে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে এ বিষয়ে তদন্ত করেছে পুলিশ। বন্ধুরা জোর করে ওই কিশোরীকে মদ খাইয়ে ধর্ষণ করেছে নাকি ওই ছাত্রী স্ব-ইচ্ছায় বন্ধুদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করেছে, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে বাড়ি ফাঁকা ছিল নিমাই গায়েনের। সেই সুযোগে তার বাড়িতেই ভাইপো উৎপল ও তার দুই বন্ধু এক বান্ধবীকে নিয়ে মদের আসর বসিয়েছিল। রাত দশটা নাগাদ নিমাইবাবু বাড়ি ফিরলে বাথরুমের মধ্যে এক কিশোরীকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। উৎপল সেই সময়ে বাড়িতে না থাকলেও অর্ঘ্য ও টুয়া নামে আরও দু’জনকে বাড়িতে দেখতে পান নিমাইবাবু। তাদের কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করার আগেই পালিয়ে যায় দু’জন। এদের মধ্যে টুয়াকে ধরে ফেলেন স্থানীয় মানুষজন।

অন্যদিকে বিষয়টি জানাজানি হতেই থানায় খবর দেওয়া হয়। রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই কিশোরীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। সেখান থেকে চারটি মদের গ্লাস, বোতলসহ আরও বেশ কিছু জিনিসপত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান চার বন্ধু মিলে একসঙ্গে মদ খাওয়ার পরে ওই কিশোরীকে পালা করে ধর্ষণ করে।

ওই কিশোরীর পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার নাম করেই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ওই কিশোরী। -এবেলা