খেলাধুলা

ফের তীরে এসে তরী ডুবালো বাংলাদেশ

সিরিজে জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ২৭২ রান। সেই টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে সফরকারীরা ৫০ ওভার শেষে ৬ উইকেটে করেছে ২৬৯ রান । মুশফিক দুর্দান্ত ব্যাটিং করেও ৩ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ।

জবাবে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা হয় বেশ ভালো। ওপেনিং জুটিতে আসে ৩২ রান। ২৩ রান করে ফেরেন এনামুল হক। আবারো সাকিবকে নিয়ে দারুণ জুটি গড়ে তোলেন তামিম। ফলে এগোতে থাকে সফরকারীরা। তবে হঠাৎই ছন্দপতন। ২৫ ওভারে বিশুর স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হয়ে ফেরেন তামিম (৫৪)। ফেরার আগে দ্বিতীয় উইকেটে সাকিবের সঙ্গে ৯৭ রানের জুটি গড়েন ড্যাশিং ওপেনার।

সঙ্গী হারিয়ে বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেননি সাকিব (৫৬)। কিছুক্ষণ পরই নার্সকে অযাচিত শট খেলতে গিয়ে ফেরেন তিনি।মাহমুদুল্লাহ ৩৮ রান রান আউট হন।মুশফিক ৬৮ ও সাব্বির ১২ রান করে আউট হন।

গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে এদিনও টস জেতেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। তবে ব্যাটিং নয়, নেন বোলিং। বোলিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটাও হয় দুর্দান্ত। লুইসকে (১২) এলবিডব্লিউ করে শুভসূচনা এনে দেন মাশরাফি। ধুঁকতে থাকা গেইলকেও (৩৮) দ্রুত ফিরিয়ে দেন মিরাজ। ৫৫ রানে দুই বিধ্বংসী ওপেনারকে ফিরিয়ে উচ্ছ্বাসে মাতে টাইগাররা। সেটি আরো বাড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১০২ রানে ৪ উইকেট হারালে।

কোণঠাসা ক্যারিবীয়দের প্রতিরোধ গড়ে ওঠে হেটমায়ার-পাওয়েলের পঞ্চম উইকেট জুটিতে। দুজনের দারুণ বোঝাপড়ায় ১১০ বলে গড়ে ওঠে ১০৩ রানের জুটি। এই জুটিটাই স্বাগতিকদের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। পাওয়েল ৪৪ রানে আউট ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে থেকে যান ‘লোকাল হিরো’ হেটমায়ার। দ্রুতগতিতে রান তুলে এগিয়ে যান সেঞ্চুরির পথে। শেষ পর্যন্ত তিন অঙ্কের ম্যাজিক্যাল ফিগার স্পর্শ করেই ছাড়েন তিনি। খেলেন ৯৩ বলে ৭ ছক্কা এবং ৩ চারের ১২৫ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস। এ নিয়ে ঘরের মাঠে সর্বকনিষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি হাঁকানোর কীর্তি গড়েছেন হেটমায়ার।

অবশ্য হেটমায়ারের সেঞ্চুরিতে অবদান আছে সাকিবেরও। ৪৩ ওভারে রুবেলের বলে তার সহজ ক্যাচ হাতছাড়া করেন তিনি। তখন এ ক্যারিবীয় ব্যাটারের রান ছিল ৭৯। শেষ পর্যন্ত ৪৯.৩ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে ২৭১ রান সংগ্রহ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বাংলাদেশের হয়ে ৩ উইকেট নেন রুবেল। দুটি করে উইকেট ভাগাভাগি করেন সাকিব-মোস্তাফিজ।