লাইফস্টাইল

প্রেমিকের স্ত্রী-মেয়ে মেরেছেন, দাবি নায়িকা রাকার

ঢাকাই ছবির নবাগত নায়িকা রাকা বিশ্বাস। ২০ এপ্রিল মুক্তি পাওয়া ‘প্রেমের কেন ফাঁসি’ ছবিটির নায়িকা হওয়ার মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। বেশ কিছুদিন এ নায়িকা ফেসবুকে পোস্ট করা বিভিন্ন স্ট্যাটাসে তার ‘প্রেমের’ খবর জানান। সবশেষ খবর হলো, সেই প্রেমের জেরে প্রেমিকের স্ত্রী-মেয়ের হাতে মারধরের শিকার হওয়ার দাবি করেছেন তিনি।

১২ জুলাই, বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে রাকা এই দাবি করেন। ওই স্ট্যাটাসে বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেন তিনি।

রাকা তার পোস্টে জানান, তার প্রেমিকের নাম ফয়জুল ইসলাম শাহিন। ‘রেইন পিকচার্স’ নামের একটি প্রোডাকশন হাউসের কর্ণধার তিনি। শাহিন বিবাহিত, তার একটি মেয়েও রয়ছে। সবকিছু জেনেশুনেই পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি।

পুরো বিষয়টি নিয়ে এই অভিনেত্রী তার পোস্টে লিখেন, ‘এভাবে নির্যাতন করে মেরেছে শাহিনের পরিবারের সদস্যরা। শাহিন ভাইয়ের বউও মেরেছে। শুধু শাহিনকে কয়েকদিন মোবাইলে না পেয়ে খুঁজতে গিয়েছিলাম বাসায়। তাই এই পরিণতি আমার। শাহিনের বড় মেয়ে আমাকে বটি দিয়ে মারতে আসে। আর খুব খারাপভাবে গালিগালাজ করে। আমার বাবা নেই। তাই আমি পুলিশের কাছে না গিয়ে আপনাদের জানিয়ে রাখলাম।

ভালোবেসে এই প্রতিদান পেলাম। সব থেকে সত্যি এই যে, এসব কিছু হয়েছে শাহিনের পরিকল্পনায়। সিঁড়ি দিয়ে ধাক্কা দিয়ে যখন ফেলে দিয়েছে, অর্ধেক গিয়ে যদি আটকে না যেতাম, নিচে পর্যন্ত পড়তাম। তাহলে হয়তো ওখানেই মারা যেতাম। থাপ্পড় তো অনেকগুলোই খেয়েছি।

শাহিন এক বছর আগে আমার পেছনে ঘুরে ঘুরে আমাকে বিয়ে করার শপথ করে আমাকে কনভিন্স করেছে। নিজের স্ত্রী ও মেয়ে সম্পর্কে অনেক বাজে কথা বলেছে। বলেছে, সে সুখী নয়। মায়া হয়েছিল, ভালোবেসে ছিলাম। এটাই আমার অপরাধ।

রাকার ফেসবুক পোস্টে তিনি ও ফয়জুল ইসলাম শাহিন
এসব লোকদের স্ত্রীরা স্বামীকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। আর যে মেয়েদের কাছে গিয়ে আশ্রয় নেয়, সেই মেয়ে খারাপ। শাহিন আমার পেছনে এক টাকাও খরচ করেনি। যদি করতে হয়, তাই বউকে দিয়ে ব্যাংক থেকে সব টাকা উঠিয়ে নিয়েছিল। আর বসে বসে আমারটা খেয়েছে-পরেছে। আর আমি তার অভিনয়কে সত্যি মনে করে পাগলের মতো ভালোবেসেছি।’