লাইফস্টাইল

প্রতিষ্ঠানে লৈঙ্গিক বৈষম্য বন্ধে…

পরিবর্তনের স্তর ভাগ করুন
অনেকেই পরিবর্তন প্রত্যাশী। কিন্তু এ বিষয়টি মাথায় রাখে না যে এ প্রক্রিয়ার জন্যে দরকার ধৈর্য আর সময়। প্রতিষ্ঠানের বর্তমান পরিবেশ ও পরিস্থিতিকে আপনার বিভিন্ন স্তরে ভাগ করতে হবে। তাহলে চিত্রটি পরিষ্কার হবে। কোথায় কোথায় সমস্যা বুঝতে সুবিধা হবে। তখন সহজেই ক্যান্সার শনাক্ত করতে পারবেন। এলোমেলো হাতড়াতে হবে না।

নিজে পরিবর্তন হোন
সবার আগে নিজের সমস্যাগুলো শনাক্ত করুন। বিশেষ করে আপনার আচরণ ও পরিবর্তনে পথে এগোনোর মানসিক বাধাগুলো দূর করুন। আপনার কণ্ঠের কম্পানির চেয়ে বেশি স্পষ্ট হবে বাস্তবায়িত কাজগুলো। তবেই আসবে পরিবর্তন। আপনাকে দেখেই যেন অন্যরা উৎসাহী হয়ে ওঠে, সেই পদ্ধতি সবচেয়ে কার্যকর।

নীতিমালা ঠিক করুন
কম্পানি চালাতে নীতিমালা প্রস্তুত করা হয়। নীতিমালা গঠনের সময়ই মূলত পরিবর্তনের আবহ প্রস্তুত করে ফেলতে হয়। যেন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বাধা না আসে। প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায় থেকে নিম্ন অবধি প্রতিটি স্তরে পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে। সে ক্ষেত্রে পেশাজীবনটাও সুখকর হয়ে ওঠে।

সচেতনতা বাড়ান
ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং কর্মিবাহিনীকে সচেতন করুন। যেসব বিষয়ে পরিবর্তন অতি জরুরি, সেগুলো নিয়ে আলোচনায় বসুন। ভবিষ্যতের ইতিবাচক দিকগুলো দেখিয়ে দিন। কোনো ধোঁয়াশা রাখবেন না। বদলে যাওয়ার সুফল যেন সবাই ভোগ করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখুন।

পেশাদারি বজায় রাখুন
নারী-পুরুষের বৈষম্য যেখানে স্পষ্ট, সেখানে উন্নতির দ্বার বন্ধ হতে থাকে। কাজেই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি যেন কোনোভাবেই এ বিষয়ের পরিচর্যা না করে। এটা করতে প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক ভুলগুলো চিহ্নিত করতে হবে। আসলে অনেক ক্ষেত্রেই চমৎকার সব নীতিমালা গৃহীত হয়। কিন্তু বাস্তবায়নের অভাবে সব আগের মতোই থাকে।

টাইমস জবস অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার