আইন আদালত

নোটিশ হাতে পেলে সিদ্ধান্ত হবে বিচার কাজে অংশ নেব কি না : মাসুদ তালুকদার

আদালত স্থানান্তরের বিষয়টি আমাদেরকে যদি নোটিশ দিয়ে জানানো হয় তাহলে সকলে বসে সিদ্ধান্ত নেব সেই আদালতে অংশ নেব কি না, বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ তালুকদার।  আজ বুধবার দুপুর ১২ টায় আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত থেকে ফেরার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মামলার জন্য আদালতের কার্যক্রমে অংগগ্রহণ করার জন্য আমরা যথারীতি আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে গিয়েছিলাম।

সকাল ১০ টা থেকে সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত আমরা সেখানে অবস্থান করেছি। কিন্তু এই আদালত আলিয়া মাদ্রাসা থেকে কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরিত করা হয়েছে সেটা আমাদের নোটিশ দিয়ে অবহিত করা হয়নি। সে কারণে আমাদের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে যেতে হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান ও ফোজদারি কার্যবিধিতে কারাগারের ভেতর আদালত বসানোর বিষয়ে বারন করা আছে। আদালত বসবে প্রকাশ্যে।

যেখানে সাংবাদিকরাসহ সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকবে। জেলখানার মধ্যে যে আদালত বসানো হয়েছে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সেটা সম্পূর্ণ বেআইনি। এই ধরনের আদালত বসানোর কোন সুযোগ নেই। সেই কারণে আজ আমরা জেলখানার ভেতরের আদালতে অংশগ্রহণ করতে পারিনি। বিচার হতে হবে প্রকাশ্যে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া যে কারাগারে থাকে সেটাকে আপনি বলবেন সাবেক কারাগার? যেখানে ২০ হাজার বন্দীকে রাখা হতো সেখানে একজনকে রাখা হয়েছে সলিটারি কনফাইন করে। আর আপনি আমাকে জিজ্ঞেস করছেন সেটা কারাগার কিনা। কাগজপত্রে কতোকিছু থাকতে পারে। এটার প্রতিক্রিয়া নেই কোনো। বাস্তবতা বলছি। এই সরকার খালেদা জিয়াকে মোকাবিলা করতে না পেরে আগামী নির্বাচনে পাস করার জন্য যতো অপকৌশল করেছে। জেলখানার ভেতরে বিচারও সেই অপকৌশলের অংশ। তিনি বলেন, আদালত স্থানান্তরের বিষয়টি আমাদেরকে যদি নোটিশ দিয়ে জানানো হয় তাহলে সকলে বসে সিদ্ধান্ত নেব সেই আদালতে অংশ নেব কি না।