লাইফস্টাইল

নায়িকাকে ধর্ষণ, ৭ বছরের জেল প্রযোজকের

ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, কম্পোরমাইজ এখন গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের নিত্য দিনের ঘটনা। তবুও এসবের মাঝে কখনও কখনও বেজে ওঠে প্রতিবাদের আগুন। যাতে পুঁড়ে ছাড়খার হয়ে যায় রাবণ। ৬ বছর আগে নিজের কৃত কর্মের সাজা পেলেন মুম্বাইয়ের এক টেলিভিশনের কার্যনির্বাহী  প্রযোজক মুকেশ মিশ্র। এক অভিনেত্রীকে ধর্ষণের দায়ে সাত বছরের কারাবাসের আদেশ শোনাল সেশন কোর্ট।

২০১২ সালের ২ ডিসেম্বর ওই অভিনেত্রীকে ধর্ষণ করেন মুকেশ। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়।
নির্যাতিতার কথায়, ‘তিনি এই ঘটনার কথা প্রথমে প্রকাশ করেননি। কারণ এতে তাঁর কেরিয়ার ও সম্মান নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় ছিল। ছিল মেয়ের জীবনের ঝুঁকিও। কিন্তু তাঁর স্বামী সেসবের তোয়াক্কা করেননি। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে চেয়েছিলেন। আর আজ জয় হয়েছে তাঁদের।’

অভিনেত্রী পুলিশকে জানায়, ‘সেদিন সকাল সাড়ে সাতটায় কলটাইম দেওয়া হয়েছিল। মুম্বাইয়ের যোগেশ্বরীতে ছিল শুটিং। তাঁকে বলা হয়েছিল, বাস তাঁকে নিতে আসবে। কিন্তু মুকেশ মিশ্র তাঁকে নিতে আসে। দুজন সেটে আসার পর ওই অভিনেত্রী মেকআপ রুমে ঢুকে পড়েন। অভিযোগ, তখনই মুকেশ তার সঙ্গে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। এরপর তাঁকে ধর্ষণ করে। ঘটনা এখানেই শেষ নয়। ধর্ষণের কথা প্রকাশ্যে এলে নির্যাতিতার মেয়েকে খুন করার হুমকিও দেওয়া হয়’।

কিন্তু এদিন ধর্ষণের কথা তিনি তাঁর স্বামীকে বলেন। তারপরই তাঁর স্বামী অভিনেত্রীর পাশে দাঁড়ান। এমনকি অভিনেত্রীর স্বামী মূল প্রযোজকের কাছে অভিযোগ জানান। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত কার্যনির্বাহী প্রযোজককে মুকেশ মিশ্রকে বরখাস্ত করেন মুখ্য প্রযোজক। অভিযোগ, এরপর মুকেশ মিশ্র নির্যাতিতাকে হুমকি দিতে থাকে সে তাঁর নাম ও প্রতিপত্তি নষ্ট করে দেবে। এরপরই পুলিশের দ্বারস্থ হন দম্পতি।

তবে এদিন আদালতে অভিযুক্তকে শনাক্ত করেন নির্যাতিতা। বিচারে সাত বছর জেল হয়েছে মুকেশের। বিচার পেয়ে খুশি অভিনেত্রী।