জাতীয়

‘ড্রাইভার ও হেলপার চাইলেই এই দুর্ঘটনা হতো না’

ড্রাইভার ও হেলপার চাইলেই এই দুর্ঘটনা হতো না। এখানে প্রায় দিনের মতো আজও ডিউটিতে ছিলাম। নিজের চোখে যেন কেয়ামত দেখছিলাম। কীভাবে একটি বাস আরেকটি বাসকে আটকাতে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের ওপর উঠে গেল- গণমাধ্যমকে কথাগুলো বলছিলেন একজন সেনা সদস্য।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তারা দ্রুতগতিতে ওভারটেক করতে গিয়েই দুর্ঘটনাটি ঘটালো। আমার দেখে মনে হলো, পেছনের বাসটি সামনের বাসটিকে আটকে দিতে চেয়েছিল। দ্রুতগতিতে টার্ন নিয়ে সামনে ঢুকতেই যাত্রীদের উপর উঠে পড়ে বাসটি।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহত দিয়া খানম মিমের বাবার নাম জাহাঙ্গীর আলম। তাদের বাড়ি মহাখালী দক্ষিণপাড়ায়। অন্যদিকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল করিমের বাবার নাম মৃত নূর ইসলাম ও মা মহিমা বেগম। তাদের বাড়ি উত্তরা আশকোনা এলাকায়।

ছুটি হয়ে যাওয়ায় শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ১৫/২০ জন শিক্ষার্থী এমইএস বাসস্ট্যান্ডে মিরপুর ফ্লাইওভারের মুখে দাঁড়িয়েছিল। দুপুর আনুমানিক সোয়া ১২টায় জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস ওই ফ্লাইওভারের মুখেই দাঁড়িয়ে যায়।

কিন্তু পেছন থেকে একই পরিবহনের দ্রুতগতি সম্পন্ন আরেকটি বাস ওভারটেক করে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটির সামনে টার্ন নিয়ে ঢুকতেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। নিমিষেই দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের ওপর উঠে যায় বাসটি। কেউ নিচে চাকার নিচে পিষ্ট হয় কেউ বা ধাক্কায় ছিটকে পড়ে যায়।