অন্যরকম

ছাত্রলীগ নেতার ধর্ষন ভিডিও নিয়ে তোলপার ইউটিউবে দেখুন ভিডিও.

ভেদরগঞ্জ উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আরিফ হোসেন হাওলাদার গোপন ক্যামেরায় ৬ নারীর ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে মোবাইলে ছড়ানোর ও তাদের ধর্ষনের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে শরীয়তপুর জেলা ছাত্রলীগ। তাই শাস্তি হিসেবে আরিফকে ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী ভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মহসিন মাদবর ও যুগ্ম আহবায়ক রাশেদুজ্জামানের যৌথ স্বাক্ষরে এক বিজ্ঞপ্তিতে অভিযুক্ত নারয়নপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আরিফ হোসেন হাওলাদারকে শনিবার সংগঠন থেকে স্থায়ী ভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মহসিন মাদবর বলেন, আরিফ হোসেন একটা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছে। এটা মেনে নেয়া যায়না। তার শাস্তি পাওয়া উচিৎ। তাই তাকে সংগঠন থেকে স্থায়ী ভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

নারায়নপুরে স্থানীয় লোকজন জানায় ক্ষতিগ্রস্থ ৬ নারীর অশ্লীল ভিডিও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের ছবিসহ এখনো ছড়ানো হচ্ছে।

৬ নারীর আপত্তিকর অশ্লীল ভিডিও’র সঙ্গে নারায়নপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজাহিদ মাঝি ও সাধারন সম্পাদক আবুল মাদবরের ছবিও ফেইসবুকে ছড়ানো হচ্ছে ।

অভিযোগ পাওয়া গেছে নারয়নপুর ইউনিয়নের ইকরকান্দি গ্রামের আমিনুল হক মাদবরের ছেলে রাজিব মাদবরের ফেইসবুক থেকে এ সকল ভিডিও ও ছবি পোষ্ট করা হচ্ছে। রাজিব মাদবর বর্তমানে মালয়েশিয়া প্রবাসি। শুক্রবার সন্ধ্যায় সাইফুল ইসলাম নামের এক যুবকের আইডি থেকে প্রথমে ৬ নারীর সঙ্গে আরিফের আপত্তিকর ছবি ছড়ানো হয়। এরপর রাত ৮ টা ৪০ মিনিটে ও রাত ৮টা ৪২ মিনিটে রাজিব মাদবরের আইডি থেকে পর পর ২টি ভিডিও আপলোড করা হয়। সাইফুল ইসলামের ফেসবুক প্রোফাইলে দেখা যায় সে মিরপুর বাংলা কলেজের ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক। এর পর রাজিব ও সাইফুলের সঙ্গে বার বার চেষ্টা করে ও কোন যোগাযোগ সম্ভব যায়নি।

রাজিবের বাবা আমিনুল ইসলাম বলেন, আমার ছেলে ৫ বছর ধরে বিদেশে থাকে সে কিভাবে আপত্তিকর ছবি পেল এবং কেন ফেইসবুকে দিয়েছে তা আমরা জানিনা। ওর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।

নারায়নপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজাহিদ মাঝি বলেন, আরিফ অন্যায় করেছে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আমরাতো কোন দোষ করিনি। কেন আমাদেরকে জড়িয়ে প্রতিপক্ষের লোকেরা ভিডিও ও ছবি ফেইসবুকে ছড়িয়েছে। এতে আমাদের মান ইজ্জত নষ্ট করছে। আমরা এর বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিব।

ভেদরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, কোন নারী আমার কাছে অভিযোগ দিচ্ছেনা। অভিযোগ না পেলে কিভাবে ব্যবস্থা নিব। তারপরও আমি আরিফকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।