বিশেষ প্রতিবেদন

গুলশানে ম্যাসাজ পার্লারের নামে চলছে এসকর্ট সার্ভিস !

এফপি

ডেস্কনিউজ; ঢাকার গুলশান ডিপ্লোমেটিক এলাকায় সেলুন ও ম্যাসাজ পার্লারের আড়ালে চলছে এসকর্ট সার্ভিস। পুলিশ প্রশাসনের কতিপয় দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা মাসোহারার বিনিময়ে এ ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনার সুযোগ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, গুলশানের হান্ডি বিল্ডিং এবং রোড নং-১০৮, হাইজ ১০১/এ, (২য়) তলাসহ বেশ কয়েকটি অভিজাত এলাকায় সেলুন,বিউটি পার্লার ও ম্যাসাজ পার্লারের নামে প্রায় ৮-১০ টিরও বেশি জেন্টস পার্লার গড়ে তোলা হয়েছে। যেখানে সুন্দরী তরুণী দিয়ে প্রতিনিয়ত চলছে সেক্স ও মাদক বাণিজ্য। এতে উঠতি তরুণী ও কলেজ ছাত্ররাও জড়িয়ে পড়ছে। অভিজাত নাভানা টাওয়ারের ১৯ তলায় নাম বিহীন সেলুন এন্ড ম্যাসাজ পার্লার নামে আরেকটি জেন্টস পার্লার রয়েছে। তবে পার্লারগুলো সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। কিন্তু সেলুন ও ম্যাসেজ পার্লারের নামে তরুণী রেখে সেবা দেওয়ার অথর্টা কি। তরুণী দিয়ে জেন্টসদের কি ধরনের সেবা দেওয়া হয় তা তো সহজেই অনুমেয়। যা সম্পূর্ণ অনৈতিক। কোনরকম সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিলেও এ ধরনের ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রশাসনের ছাড়পত্র নিতে হয়। যা কারও নেই। যদিও ট্রেড লাইসেন্সে এধরনের ব্যবসা উল্লেখ করা নেই। তবে অভিযোগের ভিক্তিতে গুলশানে অবৈধ ম্যাসাজ পার্লার ও স্পার আড়ালে অসামাজিক বাণিজ্যর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের জুন মসে শুরু হয়েছিল পুলিশের সারাশি অভিযান। অভিযানে বেশ কিছু ম্যাসাজ পার্লার বন্ধ হয়ে যায় এবং কয়েকটি মানব পাচার মালাও হয়। তবুও খান্ত হয়নি অবৈধ ব্যবসায়ীদের একটি সিন্ডিকেট দল।এদিকে, হান্ডি এবং আগোড়া বিল্ডিংয়ে অবস্থিত হোয়াইট বিউটি কেয়ার নামক একটি প্রতিষ্ঠান ঢাকা কিংবা ঢাকার অদূর থেকে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যম সহজ-সরল সুন্দরী মেয়েদের চাকুরি কিংবা নায়িকা বানানোর প্রলভন দেখিয়ে তার অবস্থানরত পার্লারে মোটা অংকের বেতনে চাকুরী দেয়, তবে তারা জানে না এটা কি চাকরি। অ:তপর বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলেও তা আর হয়ে উঠে না। জিম্মি দশায় থাকতে হয় ওইসব মেয়েদের। জোরপূর্বক তাদের অশ্লিল ভিডিও ধারন করে ভয়ভিতি দেখিয়ে অসামাজিক কাজ করতে বাধ্য করে পার্লারের উক্ত পরিচালক রিয়া ও প্রিন্স ওরফে নয়ন।
সম্প্রত্তি, উক্ত নাভানা টাওয়ারের (১৯ তম) তলায় অবস্থিত আরেকটি সেলুন ও ম্যাসাজ পার্লারের সুমন নামের এক ব্যক্তি বলেন, ভাই এই মালিকে দুটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এটি আগে অরোরা নামক প্রতিষ্ঠান ছিল। বর্তমানে রোড নং- ১০৮ এর ১০১/এ (২য়) তলায় প্রতিষ্ঠানটি আমাদেও মালিক কিনে নিয়েছেন। আপনাদেও কিছু বলার থাকলে আমাকে বলতে পারেন। তাছাড় আমরা থানা পুলিশকে মাসোহারা দিয়েই ব্যবসা করি।
তবে ১০৮ এর ম্যানেজার ফজলু বলেন, আজ থেকে ১৬ বছর যাবত সেলুন ও ম্যাসাজ পার্লার গুলশানে চলে অসছে।
এবিষয়ে গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, এবিষয়গুলো আমরা ক্ষতিয়ে দেখছি। স্পা বা ম্যাসাজ পার্লারের কোন অসামাজিক কার্যকলাপ বাণিজ্য হলে তা আইনের আওতায় আনা হবে। আমাদে প্রতিদিনি অভিযান চলছে। কয়েকদিন আগেও একটি স্পা ও একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে খদ্দেরসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়। এবং মানব পাচার আইনে পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা দ্বায়ের করেছে।