অন্যরকম

কে এই সুন্দরী, কেন তাকে খুঁজছে সবাই?

মুখ্যমন্ত্রীকে বাদ দিয়ে সবাই খুঁজছেন এই রূপসীকে। ভারতীয় গণমাধ্যমে শিরোনাম হচ্ছে ‘কে এই সুন্দরী!’ ‘কেন তাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এত খোঁজ করা হচ্ছে!’ এই রুপসীর নাম রাধিকা। পুরো নাম রাধিকা কুমারাস্বোয়ামি। ২০০০ সালের দিককার কান্নাড়া চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় মুখ। একজন অভিনেত্রী এবং প্রযোজক।

‘নীলা মেঘা শ্যামা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ২০০০ সালে পা রাখেন রুপালী জগতে। তখন তার বয়স মাত্র ১৬। এক সময় তিনি কান্নাড়া চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ উপার্জনকারী নায়িকা ছিলেন।

দীর্ঘদিন কোনো আলোচনায় না থাকলেও বর্তমানে কান্নাড়ার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন রাধিকা। তারপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার খোঁজার ধুম পরেছে। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে যতটা না খ্যাতি অর্জন করেছেন রাধিকা তার চেয়ে বেশি খ্যাতি এবার নির্বাচনের পর জুটেছে তার কপালে।

ব্রিটেনের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা দেশটির প্রথম মৃতদেহের খামারের জন্য দাতা খুঁজছেন, যারা মৃত্যুর আগেই তাদের লাশ ওই খামারে দান করার জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ হবেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মৃতদেহের খামার স্বাভাবিক ব্যাপার হলেও যুক্তরাজ্যে এবারই প্রথম এমন একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মৃতদেহের খামারে বিশেষজ্ঞরা লাশের পচন প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন। লাশকে তারা কবর দিতে পারেন, ঝুলিয়ে রাখতে পারেন আবার পানির নিচেও রাখতে পারেন, যাতে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে লাশের পচন পক্রিয়া অবলোকন করা যায়।

মূলত অপরাধ বিষয়ক গবেষণা ও তথ্য অনুসন্ধানের জন্য এমন গবেষণা চালানো হয়ে থাকে। বিভিন্ন পরিস্থিতে লাশের পচন পক্রিয়া জানা থাকলে বাস্তব অপরাধের ক্ষেত্রে লাশ দেখলেই অপরাধের ধরণ কিংবা কবে ও কীভাবে খুন করা হয়েছে, সে সম্পর্ক ধারণা পাওয়া যায়।

যুক্তরাজ্যের হাডার্সফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃতত্ববিদ ড. আনা উইলিয়মস বলেন ‘এ উদ্যোগের ফলে যুক্তরাজ্যের ফরেনসিক বিজ্ঞান আরও উন্নতি করবে।’ড. আনা ‘হিউম্যান টিস্যু অথরিটি’ নিয়েও কাজ করার চেষ্টা করছেন, যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় যেটিকে তাদের বিবেচনার মধ্যে রেখেছে। তিনি বলেন ‘বিজ্ঞানের উৎকর্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আমরা অনেক দিক দিয়েই উন্নতি করতে পারি।’

ড. আনা উইলিয়ামস বলেন ‘এসব কিছু বাস্তবায়িত হলে আমরা একটি লাশ দেখলেই নিশ্চিতভাবে বলতে পারব মানুষটি কখন ও কীভাবে মারা গিয়েছে, পচে যাওয়া লাশের শরীর থেকে আঙুলের ছাপ নিয়ে আমরা খুনিকেও সনাক্ত করতে পারব।’

বিশ্বে এ পর্যন্ত নয়টি মৃতদেহের খামার আছে যার মধ্যে ৭টি যুক্তরাষ্ট্রে। একটি করে আছে হল্যান্ড ও অষ্ট্রেলিয়ায়। লাশের পচন নিয়ে গবেষণার কারণে ইতিমধ্যে অপরাধি সনাক্তকরণে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য পাওয়া গেছে।

১৯৭০ এর দশকে কুখ্যাত মার্কিন সিরিয়াল কিলার ওয়েনি গেসি অন্তত ৩৩ জনকে খুন করে তার বাড়ির মেঝেতে পুতে রেখেছিলেন। মার্কিন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা পরে পরীক্ষা করে মৃতদেহের শরীরের গেসির ডিএনএ খুঁজে পেয়েছিলেন।