লাইফস্টাইল

কামাক্ষ্যা মন্দির ঘিরে রয়েছে সাতটি গোপন রহস্য ! জানলে অবাক হবেন

রুদ্র সিংহের মৃত্যুর পর তাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র শিব সিংহ (রাজত্বকাল ১৭১৪-১৭৪৪) রাজা হন!তিনি কামাখ্যা মন্দির ও পার্শ্ববর্তী বিরাট একটি ভূখণ্ড কৃষ্ণরামকে দেবত্তোর সম্পত্তি হিসেবে দান করেন! তাঁকে ও তাঁর বংশধরদের পর্বতীয়া গোঁসাই বলা হত! কারণ তাঁরা নীলাচল পর্বতের উপর থাকতেন। কামাখ্যা মন্দিরের অনেক পুরোহিত ও আসামের অনেক আধুনিক শাক্ত এই পর্বতীয়া গোঁসাইদের শিষ্য তাই বিশেষত তন্ত্রসাধকদের কাছে একটি পবিত্র তীর্থ!তাই ওনেক গভীর রহস্যের সন্ধান ঘটেছে জানুন

১. কামাক্ষা মন্দিরে পূজায় সমস্ত মনস্কামনা পূর্ণ হয়,কারণ হসেবে জানা যায় কামাক্ষা দেবীর যোনীর অংশটি এই অঞ্চলে পড়ে!

২. ৫২টি সতীপীঠ এর মধ্যে ভারতে সমুদ্রপীষ্ঠ থেকে ৮০০ফিট উপরে অবস্থিত গুয়াহাটির এই মন্দির অতি জাগ্রত!

৩. তারা, ভৈরবী, ভূবনেশ্বরী এবং ঘন্টাকর্ণে পুজা হয় মন্দির সংলগ্ন এলাকার ছারপাশে!

৪. চলন্ত, পঞ্চরত্ন এবং নাট্যমন্দির দেখলে চোখ জুড়িয়ে যাবে,পশ্চিমের মন্ডপটি বড় সবচেয়ে!

৫. একটি গর্ভগৃহ আছে যা যোনীর আকৃতিবিশিষ্ট একটি পাথর!ভূর্গভের জল সর্বদা পাথরটি ভিজিয়ে রাখে!

৬. ১৬-এর দশকে ধ্বংসের পর রাজা নরনারায়ন ১৭-র দশকে কোচবিহারে স্থাপিত করে আবার!

৭. খোদাই মূর্তির মধ্যে গণেশ,অন্যান্য হিন্দু দেবদেবীর কারুকার্য আছে!

তন্ত্রসাধনার কেন্দ্র হওয়ায় বার্ষিক অম্বুবাচী মেলা অনুষ্ঠানে এখানে প্রচুর মানুষ আসেন! এছাড়া বার্ষিক মনসা পূজাও মহাসমারোহে আয়োজিত হয়, দুর্গাপূজা কামাক্ষ্যা মন্দিরের একটি অন্যতম প্রধান উৎসব!