লাইফস্টাইল

আপনার স্ত্রী কি মোটা?? মোটা স্ত্রীর সাথে কিভাবে সহবাস করলে আনন্দ বেশি পাওয়া যায়! বিস্তারিত জানতে দেখুন ভিডিওটি।

সাধারণত সব শ্রেণীর মানুষের মধ্যে এমন ধারণা বিদ্যমান যে, মোটা সঙ্গীর সাথে যৌ’ন সঙ্গম করা অসম্ভব সুখপ্রদ নয়।আসলে এক্ষেত্রে শরীরের মেদের চেয়ে মানসিক উৎকণ্ঠাই সঙ্গমের আনন্দকে বেশি ব্যাহত করে। প্রত্যাখ্যানের ভয়, ‘চাহিদা মেটাতে অক্ষম বা যৌ’ন সঙ্গম করতে অক্ষম এমন ধরনের কিছু সাধারণ দুশ্চিন্তাই যৌন সুখকে সবচেয়ে বেশি বাধাগ্রস্ত করে।

পাশাপাশি  সঙ্গমের ঠিক কৌশল সম্পর্কে অজ্ঞতা, সঙ্গমের পুর্বে সঠিক ভাবে উত্তেজিত করতে না জানা, উত্তেজক স্থান সমূহ না চেনা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে সঙ্গমের চূড়ান্ত সুখ লাভ করা সম্ভব হয় না।আসলে মোটা লোকদের সম্পর্কে সামাজিক দৃষ্টি ভঙ্গি অনেকাংশেই নেতিবাচক।ডায়েটিং করা বা দীর্ঘদিন ধরে আংশিক উপোস করার কারণে মোটা লোকদের বাসনা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।পাশাপাশি যেসব মহিলাদের ওজ কমতে শুরু করে, তাদের স্বাভাবিক মাসিক চক্রও অস্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে।

মোটা বা মেদ বহুল মহিলারা সাধারণত এমন ধারণা পোষন করে থাকে যে, তাদের পক্ষে কোনো পুরুষকে সুখ দেয়া সম্ভব নয় বা তাদেরকে কেউ পছন্দ করেনা।ফলে তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দেয়।এই ধরনের আত্মবিশ্বাস হীনতা তাদের  জীবনকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত করে।

মোটা পুরুষদের বেলায়ও এধরনের সমস্যা দেখা যায়।প্রত্যাখ্যান হবার ভয়, যৌ’নসঙ্গম করতে অক্ষম, বা সঙ্গিণীকে যৌন তৃপ্তিদানে অক্ষম বা তাদেরকে কেউ পছন্দ করেনা এমন ধরনের ধারণা তাদেরকে যৌন সঙ্গম থেকে বিরত রাখে।এ ধরনের মানসিক দুশ্চিন্তও সামাজিক দৃষ্টভঙ্গি বা সুযোগের অভাব ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে দীর্ঘদিন ধরে যৌ’নসঙ্গম থেকে বিরত থাকলে তারা যৌনসঙ্গমে অক্ষম হয়ে যেতে পারে।আসলে এটি বর্তমানে একটি সামাজিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এবিষয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অনেক গবেষণাও হয়েছে।গবেষণায় কিছু ফলাফল উল্লেখ করা হলো-মোটা মানুষের বেলায় শারীরিক চাহিদা স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকে।তবে সঙ্গমের বেলায় অতিরিক্ত মোটা হওয়ার কারণে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিবাহিত জীবনেও যৌনসঙ্গমই মোটা লোকদের আনন্দ লাভের গুরুত্বপূর্ণ উপায়। অবিবাহিত মোটা লোকদের বেলায়ও দেখা যায় তাদের স্বাভাবিক যৌনবাসনা রয়েছে।তবে মানসিক দুশ্চিন্তার কারণে অর্থাৎ তাদের সাথে কেউ যৌনসঙ্গম করতে পছন্দ করেনাএমন ধারনা তাদের যৌনজীবনকে বাধারস্ত করে।

প্রয়োজনীয় কিছু আসনের কৌশল উল্লেখ করা হলো- পুরুষর ধান আসন : এই আসনটিকে সাধারণত মিশনারি আন বলা হয়ে থাকে।সাধারণত মহিলাটি তার পুরুষসঙ্গীর চেয়ে মোটা হলে এধরনের আসন বেশি কার্যকর হয়।এক্ষেত্রে মহিলাটি চিৎহয়ে শুয়ে দুই পা কটির দিকে বাঁকিয়ে রাখবে এবং হাঁটু সম্পূর্ণ বাঁকিয়ে দুই উরু যতটা সম্ভব ফাঁক করে ধরবে।এতে করে তার যোনি মুখ সম্পূর্ণ ভাবে সঙ্গম উপযোগী হবে।তার ভুড়ি খুব বড় হলে এসময় সে দুই হাতে যোনি মুখ থেকে তা ওপরের দিকে টেনে ধরতে পারে।