বিশেষ প্রতিবেদন

আজ বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ শেখের ৪৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী !

এফপি

ডেস্কনিউজ; আজ বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে যে সাতজন বীরকে সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিলো তার মধ্যে তিনি অন্যতম।

সরকারিভাবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নূর মোহাম্মদের সমাধি গো-চারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে।

১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইলের মহিষখোলায় নূর মোহাম্মদ শেখের জন্ম। ১৯৫৯ সালের ১৪ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান ইপিআর-এ যোগ দেন তিনি। যশোরের শার্শার সীমান্তবর্তী কাশিপুর এবং ভারতের বয়রা অঞ্চলে ৮ নং সেক্টরে ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার নেতৃত্বে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ।

৫ সেপ্টেম্বর ছুটিপুরের গোয়ালহাটি গ্রামে নূর মোহাম্মদ একাই পাকিস্তানী সেনাদের সাথে সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেন। সে সময় শত্রুর মর্টারের গোলায় শহীদ হন তিনি। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে শার্শার কাশিপুর গ্রামে একটি পুকুরপাড়ে দাফন করা হয়।

প্রতি বছর মৃত্যু দিবসে নূর মোহাম্মদের সমাধি ধোয়া-মোছা করা হলেও আশ পাশ জঙ্গলে ভরে গেছে। দিনে গো-চারণ ভূমি আর রাতে পরিণত হয় মাদকের আস্তানায়। র্দীর্ঘদিন ধরে সেখানে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স স্থাপন করার কথা থাকলেও বাস্তবায়ন হয়নি।

সীমান্তের অজপাড়া গাঁ কাশিপুরে চিরতরে ঘুমিয়ে আছেন বীর শ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদসহ সাত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। তাদের সমাধি সরকারিভাবে সংরক্ষণ করে সেখানে একটি মুক্তিযোদ্ধা মিউজিয়াম স্থাপনের দাবি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা এবং এলাকাবাসীর।