অর্থনীতি

অর্থমন্ত্রী খুশি নন , রাজনৈতিক বিবেচনায় নতুন ব্যাংকের অনুমোদনে!!

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজনৈতিক বিবেচনায় নতুন ব্যাংক অনুমোদনে খুশি নন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, যদিও অনেকটা বাধ্য হয়েই এসব ব্যাংক অনুমোদন দিতে হচ্ছে তাকে। সম্প্রতি গণমাধ্যমকর্মীদের একথা জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির আকারের তুলনায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুটোই বেশি। এর পরও নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দেয়া হচ্ছে। এ সময় নতুন ব্যাংক দেয়ার কোনো দরকার ছিল না। এর পেছনে রাজনৈতিক গ্রাউন্ড আছে। এভাবে ব্যাংকের অনুমোদন দেয়ায় আমি খুবই অখুশি। এসব ব্যাংক অতিসত্বর একীভূতকরণ শুরু হবে।

এর আগে সাবেক এক মন্ত্রীকে ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে দেয়ার অভিজ্ঞতা ভালো নয়, এখন আবার একজন মন্ত্রীর আত্মীয় ব্যাংক পেতে যাচ্ছেন। এতে পুনরায় খারাপ অভিজ্ঞতা আসবে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে মুহিত বলেন, ‘অনেক মিনিস্টারই ব্যাংকের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সংখ্যা বেশি হওয়ায় ব্যাংকগুলো একীভূত করা হবে। এজন্য আইন ঠিকঠাক করা হচ্ছে। আগামী নির্বাচনে আমরা ক্ষমতায় এলেই একীভূতকরণের কাজ শুরু হবে। যদি অন্য কেউ আসে, তাহলে তাদেরকেও ব্যাংক সংস্কারের বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দিয়ে যাব।

উল্লেখ্য, গত ২৯ অক্টোবর গভর্নর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় নতুন চারটি ব্যাংক অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এর মধ্যে পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের কমিউনিটি ব্যাংক অব বাংলাদেশকে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেয়া হয়। কাগজপত্রে ত্রুটি থাকায় অপেক্ষায় রাখা হয়েছে দ্য বেঙ্গল ব্যাংক, পিপলস ব্যাংক ও দ্য সিটিজেন ব্যাংককে। কমিউনিটি ব্যাংক ছাড়া বাকি তিনটি ব্যাংকের সঙ্গেই রাজনৈতিক ব্যক্তিরা সম্পৃক্ত রয়েছেন।